উন্নয়নের নামে গাছ কাটা বন্ধ করতে হবে গাছ রেখেই সড়কের উন্নয়ন করার দাবী তমালতলাবাসীর….. – newsline71bd
শিরোনাম
রামগঞ্জে নিজস্ব অর্থায়নে এমপি আনোয়ার খানের কম্বল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ… রামগঞ্জে নৌকার বিজয়ে আওয়ামীলীগ ঐব্যবদ্ধ!! ড. আনোয়ার হোসেন খান এমপি… প্রতারকের খপ্পরে পড়ে রিক্সা খোঁয়ানো দুলাল মিয়াকে নতুন অটোরিক্সা প্রদান।। নাটোরের সিংড়ায় চৌগ্রাম ইউনিয়নে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান,ঐক্য পরিষদ গঠন। নাটোরে বড়হরিশপুর ইউনিয়নে ছাত্রলীগ নেতার উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতারণ… রামগঞ্জে নবাগত শিক্ষকদের বরন করে নিলেন সহকারী প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি।। রামগঞ্জে গৃহবধু নির্যাতনের বিচার চাইতে এসে হামলার শিকার ৩মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান।। ওসির সাথে রামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্যদের মতবিনিময়!! অসম্ভবকে সম্ভব করে বাংলাদেশ আজ বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে আমরাও পারিঃ সেতুমন্ত্রী!! পদ্মার বুকে স্বপ্নের পুরো সেতু দৃশ্যমান!!
সোমবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২১, ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন

উন্নয়নের নামে গাছ কাটা বন্ধ করতে হবে গাছ রেখেই সড়কের উন্নয়ন করার দাবী তমালতলাবাসীর…..

রিপোটারের নাম / ২৯৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২০

নাটোর প্রতিনিধি নিউজ লাইন 71 বিডি

উন্নয়নের ছোঁয়ায় আমরা হারাতে যাচ্ছি নাটোরের তমালতলার এই তমাল গাছটি। এই গাছের কারনেই স্থানটির নাম হলো তমালতলা।
উন্নয়নের নামে নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার তমালতলা সড়কের উন্নয়ন কাজের জন্য সেই তমাল গাছটি কাটার প্রস্তুতি চলছে। গাছটি না কেটে সড়ক উন্নয়নের দাবি জানিয়েছেন তমালতলার আপামর জন সাধারণ।

এলাকাবাসীরা জানান,তমালতলার নাম করন যে গাছটির নামের অনুকরনে সেই গাছটিই কেটে ফেলে সড়কের সংস্কার কাজ করা হবে।গাছটির স্থানে গোলচত্বর তৈরী করবে। তমালতলার উন্নয়ন হোক সেটা আমারা সবাই চাই তাই বলে বৃক্ষনিধন করে নয়।

উল্লিখিত গাছ কর্তনের সিদ্ধান্তের খবরটি দুঃখজনক। তবে বিষয়টি যে শুধুই তমালতলা সড়কে হচ্ছে তা নয়, বরং উন্নয়নের নাম করে দেশজুড়েই গাছ কর্তনের মহোৎসব চলছে।

গাছবিহীন একমুহূর্তও আমরা কল্পনা করতে পারি না। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা, বিশ্বাস, রীতি, শাস্ত্র-পুরাণ, প্রথা, বাণিজ্য, দর্শন, মনস্তত্ত্ব, উৎসব, পার্বণ, শিল্প-সংস্কৃতি, আশ্রয়, প্রশান্তি অর্থাৎ যাপিত জীবনের সবকিছুই গাছকে ঘিরে, গাছ নিয়ে। এমনকি এ জনপদের রাজনৈতিক ঐতিহাসিকতার সঙ্গেও গাছ জড়িত আছে ওতপ্রোতভাবে। অথচ সে গাছই কেটে উজাড় করার আয়োজন চলছে সর্বত্র। নিহত বৃক্ষগুলো অক্সিজেন সরবরাহ ও কার্বন শোষণ করে বায়ুচক্রে যে বিন্যাস তৈরি করেছিল, তা-ও ধ্বংস করা হচ্ছে। এর করুণ পরিণতি স্বাভাবিকভাবেই আবহাওয়া চক্র এবং সর্বোপরি জলবায়ু পঞ্জিকার ওপর পড়বে।

গাছ নিহত হলে গাছ শুধু একাই মরে না, মানুষসহ সব প্রাণসত্তার জন্যই তা ঝুঁকি ও উৎকণ্ঠার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যে গাছ নিজে বিষপান করে মানুষকে সতেজ রাখে, অক্সিজেন দেয়, সেই গাছ কেটে উন্নয়ন কী করে হয় সেটাই প্রশ্ন। এটাও বলার অপেক্ষা রাখে না যে, উন্নয়নের নামে এভাবে বৃক্ষনিধন চলতে থাকলে বাংলাদেশকেও একসময় ‘বৈশ্বিক জলবায়ু বিপর্যয়ের’ দায় কিছুটা হলেও নিতে হবে।

বৃক্ষ নিধন কোনভাবেই উন্নয়নের অংশ হতে পারে না। পরিবেশসংক্রান্ত প্রচলিত আইনের মাধ্যমে এ অন্যায়ের সুরাহা সম্ভব কীনা সেটা অবশ্যই খতিয়ে দেখতে হবে। উন্নয়নের নামে বৃক্ষনিধন ও পরিবেশ বিপর্যয়ের সব ঘটনাকে দৃষ্টান্তমূলক অপরাধ ও বিচারের আওতায় আনা জরুরি। বৃক্ষ নিধনের ফলে পরিবেশের যে ক্ষতি হলো তা নিরূপণ করে বৃক্ষ নিধনকারীদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করা উচিত । শুধু তমালতলা সড়কেই নয়, দেশের কোথাও যেন এ ধরনের আত্মঘাতী সিদ্ধান্তঃ না নেয়া হয়।
এলাকাবাসী,তমাল গাছটি রেখে উন্নয়নের দাবী জানিয়েছে।।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বিশ্বে করোনা ভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৫৩২,২৭২
সুস্থ
৪৭৬,৯২৭
মৃত্যু
৮,০৪৩
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
৯৭,৯৮৫,৭২৮
সুস্থ
৫৩,৭৫৯,২৬১
মৃত্যু
২,১০১,৮০৬