মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
add

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে আসছে একের পর এক মরা ডলফিন…

রিপোটারের নাম / ৫৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০
add

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে উঠছে মরা ডলফিন। যা স্থানীয়দের কাছে শুশুক নামে পরিচিত। গত দুইদিন ধরে কুয়াকাটা মূল সৈকতের পশ্চিম দিকে বেশ কয়েকটি মরা ডলফিন চোখে পড়েছে স্থানীয়সহ পর্যটকদের।

তবে কেন বা কি কারণে এসব মাছ মরে যাচ্ছে তার কোন কারণ স্থানীয় জেলেদের জানা না থাকলেও মৎস্য গবেষকদের মতে, হঠাৎ অতিমাত্রায় লবনাক্ততা আর অ্যামোনিয়ার পরিমাণ বেড়ে গেলে অনেক সময় এরকম মৃতের ঘটনা ঘটে থাকে।

কুয়াকাটার স্থানীয় ব্যবসায়ী বাচ্চু, রাজু ও বেল্লাল জানান, গতকাল থেকে আচমকা সাগরের পাড়ে মৃত ডলফিনগুলো ভেসে এসে বালুতে আটকা পড়ে আর নামতে পারেনি। পর্যটকসহ স্থানীয়দের অসুবিধা এবং পঁচে গলে পরিবেশ নষ্ট হবার আশঙ্কায় গতকাল দু’টি মৃত ডলফিন মাটি চাপা দেয়া হয়েছে এমন খবরও তাদের কাছে আছে। তবে কুয়াকাটা পৌরসভা মেয়রের উদ্যোগে গতকাল রাতে দু’টি মরা ডলফিন মাটিচাপা দেয়া হয়েছে বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাদ দিয়ে কুয়াকাটা ট্যুরিষ্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ জহিরুল ইসলাম জানান, কুয়াকাটা সৈকতের পাড়ের অনেক জেলে রাতের আধারে সাগরে জাল পেতে রাখে খুটার সাথে। ওসব জালে আটকে পড়ে এসব ডলফিন মারা যেতে যারে।

এদিকে খেপুপাড়া মৎস্য গবেষণা ইনষ্টিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম জানান, সাগরের বিভিন্ন পয়েন্টে বিভিন্ন সময়ে লবনাক্ত পরিবেশ অতিরিক্ত মাত্রায় বৃদ্ধি পায় আবার তখন বা তার আগে পরে অ্যামোনিয়ার পরিমাণও হঠাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক সময় এসব ডলফিন মৃত্যুবরণ করে থাকে। তবে কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে থাকা ডলফিনগুলো প্রকৃতপক্ষে কি কারণে মারা গেছে তা ওখানকার পানি পরীক্ষা না করে বলা মুশকিল।

আবার বাগেরহাট মৎস্য গবেষণা ইনষ্টিটিউটের এক ঊর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা জানান, মৃত ওই ডলফিনগুলো যদি নদীর হয়ে থাকে তবে ধারণা করা হচ্ছে যে, নদী দূষণের কারণে অসুস্থ হয়ে মারা গিয়ে জোয়ারের টানে ওগুলো সমুদ্রের তীরে গিয়ে আটকে পড়েছে।

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
add

বিশ্বে করোনা ভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৩৯১,৫৮৬
সুস্থ
৩০৭,১৪১
মৃত্যু
৫,৬৯৯
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
৪০,৩৮৮,৮০২
সুস্থ
২৭,৬৯১,৯৬৫
মৃত্যু
১,১১৮,০৮৩
add