হাত বদলেই কেজিতে সবজির দাম বাড়ছে ১০ টাকা – newsline71bd
শিরোনাম
রামগঞ্জে নিজস্ব অর্থায়নে এমপি আনোয়ার খানের কম্বল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ… রামগঞ্জে নৌকার বিজয়ে আওয়ামীলীগ ঐব্যবদ্ধ!! ড. আনোয়ার হোসেন খান এমপি… প্রতারকের খপ্পরে পড়ে রিক্সা খোঁয়ানো দুলাল মিয়াকে নতুন অটোরিক্সা প্রদান।। নাটোরের সিংড়ায় চৌগ্রাম ইউনিয়নে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান,ঐক্য পরিষদ গঠন। নাটোরে বড়হরিশপুর ইউনিয়নে ছাত্রলীগ নেতার উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতারণ… রামগঞ্জে নবাগত শিক্ষকদের বরন করে নিলেন সহকারী প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি।। রামগঞ্জে গৃহবধু নির্যাতনের বিচার চাইতে এসে হামলার শিকার ৩মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান।। ওসির সাথে রামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্যদের মতবিনিময়!! অসম্ভবকে সম্ভব করে বাংলাদেশ আজ বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে আমরাও পারিঃ সেতুমন্ত্রী!! পদ্মার বুকে স্বপ্নের পুরো সেতু দৃশ্যমান!!
রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১, ১০:১২ অপরাহ্ন

হাত বদলেই কেজিতে সবজির দাম বাড়ছে ১০ টাকা

রিপোটারের নাম / ৫৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২০

সরকারঘোষিত সাধারণ ছুটি শেষে সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক হলেও বাজারে হু হু করে বাড়ছে সব ধরনের সবজির দাম। প্রায় সব সবজির কেজিই এখন ৫০ টাকার ওপরে। আবার কোনো কোনোটি ১০০ টাকার ওপরে। ব্যবসায়ী পর্যায়ে হাতবদল হলেই কেজিপ্রতি বেড়ে যাচ্ছে অন্তত ১০ টাকা।

মুগদা বাজারের সবজি বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন কারওয়ান বাজার থেকে পাইকারিতে ২৮ টাকা কেজি ঢেঁড়স কিনে খুচরায় বিক্রি করেন ৪০ টাকা। তাঁর দাবি, মাল কেনার পর মিন্তি খরচ কেজিতে এক টাকা, ভ্যানভাড়া খরচ হয় আরো এক টাকা। সেই সঙ্গে কিছু মাল নষ্ট হয়, কিছু ওজনে ঘাটতি হয়। এর সঙ্গে লাভ যোগ করে ৩৫ টাকার নিচে বিক্রি করা যায় না। প্রতিটি সবজির দামই এভাবে হাতবদলের পর কেজিতে অন্তত ১০ টাকা বেড়ে যাচ্ছে।

গতকাল মঙ্গলবার শ্যামবাজার থেকে পাইকারিতে কিনে ভ্যানে পুঁইশাক নিয়ে মালিবাগ বাজারে যাচ্ছিলেন বিক্রেতা আলামিন। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সব খরচ মিলে ১৫ টাকা পড়েছে পুঁইশাকের কেজি। মালিবাগ বাজারে দিয়ে দেখা যায়, পুঁইশাকের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রতিবছর বর্ষায় সবজির দাম বাড়ে। তবে এবার একটু বেশিই বেড়েছে। প্রতিটি সবজির দাম এবার গেল বছরের একই সময়ের তুলনায় কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি। এর জন্য খুচরা ব্যবসায়ীরা দুষছেন পাইকারি ব্যবসায়ীদের আর পাইকারি ব্যবসায়ীরা অজুহাত দিচ্ছেন উৎপাদন ও সরবরাহ ঘাটতির।

বাংলাদেশ কাঁচামাল আড়তদার মালিক সমিতির সভাপতি ইমরান মাস্টার বলেন, ‘ঈশ্বরদীসহ অন্যান্য মোকামে এবার সবজির সরবরাহ কম। চাল, কুমড়া, করলা ইত্যাদি সবজির অর্ডার দিয়েও চাহিদামতো পাওয়া যাচ্ছে না। এর কারণ হতে পারে, আষাঢ় মাস শুরু হওয়ায় নদীপারের সবজিক্ষেত ডুবে যাচ্ছে। বৃষ্টিতেও অনেক ক্ষেত ডুবে সবজি নষ্ট হয়েছে। আবার লকডাউনের সময় কৃষকরা সবজি বিক্রি করতে না পেরে যে লোকসানে পড়েছেন, তাতে অনেকে আর চাষ করেননি। এসব কারণে এবার সবজির উৎপাদন কম হয়েছে।

গোপীবাগ, মালিবাগ, মানিকনগরসহ রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে, পাইকারি বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, কেজিপ্রতি সব সবজির দাম গত বছরের এই সময়ের তুলনায় ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি। আবার কিছু সবজির মৌসুম না হওয়ায় সেগুলো আমদানি করতে হয়। ওই সবজির দাম বর্তমানে কেজিপ্রতি ১০০ টাকার ওপরে। আমদানি করা সবজির মধ্যে রয়েছে টমেটো, গাজর ইত্যাদি। খুচরা বাজারে ভালো মানের টমেটো ও গাজর বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি। অথচ চলতি মাসের শুরুতে টমেটোর কেজি ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা। আলুর কেজি বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে ৩০ টাকার বেশি বিক্রি হচ্ছিল। তবে গতকাল কেজিতে ২ টাকা কমে ২৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তার পরও গত বছরের একই সময়ের তুলনায় কেজিতে ৬ থেকে ৮ টাকা বেশি। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে আলুর দাম গত বছরের তুলনায় সাড়ে ৯ শতাংশ বেড়েছে।

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, আড়তে সবজির দাম বেশি, তাই তাঁদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। মালিবাগ বাজারের এক সবজি বিক্রেতা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘গত বছরও এই সময় ঢেঁড়স বিক্রি করেছি ৩০ টাকা কেজি। কেনা পড়ত ২০ থেকে ২২ টাকা। এ ছাড়া পটোল ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি আর করলা বিক্রি করেছিলাম ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি। প্রতিবছর বর্ষায় সবজির দাম বাড়ে। এ বছর একটু বেশি বেড়েছে।’

গতকাল বাজারে ভালো মানের পটোল বিক্রি হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি আর করলা বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা কেজি। বেগুন ৬০ টাকা, কাঁকরোল ৫০ টাকা, কইডা ৫০ টাকা, কচুমুখি ৬০ টাকা, পেঁপে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। কাঁচা মরিচের কেজি ৮০ টাকা। ভালো মানের শসা ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি।

ভোক্তারা বলছেন, সাধারণ ছুটির সময় সব কিছুর দাম বেশি হলেও সবজির দামে স্বস্তি ছিল। বর্তমানে সব পণ্যের দাম চড়া। ফলে ভোক্তার ওপর চাপ ক্রমেই বাড়ছে।

গোপীবাগ বাজারে সবজি কিনতে আসা সেবিকা দেবনাথের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ‘সবজি প্রতিদিনই লাগে। তাই কেজিতে ২-৪ টাকা বাড়লেও অনেক। আমরা বেশি দামে সবজি কিনি, আবার খবর পাই কৃষক সবজির দাম পাচ্ছে না। তাহলে দাম কেন বাড়ছে? এটি সরকারের মনিটর করা উচিত।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বিশ্বে করোনা ভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৫৩২,২৭২
সুস্থ
৪৭৬,৯২৭
মৃত্যু
৮,০৪৩
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
৯৭,৯৮৫,৭২৮
সুস্থ
৫৩,৭৫৯,২৬১
মৃত্যু
২,১০১,৮০৬