১৪ নভেম্বর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবারো ছুটি বাড়ল!! – newsline71bd
শিরোনাম
রামগঞ্জে নিজস্ব অর্থায়নে এমপি আনোয়ার খানের কম্বল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ… রামগঞ্জে নৌকার বিজয়ে আওয়ামীলীগ ঐব্যবদ্ধ!! ড. আনোয়ার হোসেন খান এমপি… প্রতারকের খপ্পরে পড়ে রিক্সা খোঁয়ানো দুলাল মিয়াকে নতুন অটোরিক্সা প্রদান।। নাটোরের সিংড়ায় চৌগ্রাম ইউনিয়নে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান,ঐক্য পরিষদ গঠন। নাটোরে বড়হরিশপুর ইউনিয়নে ছাত্রলীগ নেতার উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতারণ… রামগঞ্জে নবাগত শিক্ষকদের বরন করে নিলেন সহকারী প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি।। রামগঞ্জে গৃহবধু নির্যাতনের বিচার চাইতে এসে হামলার শিকার ৩মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান।। ওসির সাথে রামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্যদের মতবিনিময়!! অসম্ভবকে সম্ভব করে বাংলাদেশ আজ বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে আমরাও পারিঃ সেতুমন্ত্রী!! পদ্মার বুকে স্বপ্নের পুরো সেতু দৃশ্যমান!!
বুধবার, ০৩ মার্চ ২০২১, ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন

১৪ নভেম্বর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবারো ছুটি বাড়ল!!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ / ৩০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২০

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি নিয়ে ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে অংশ নেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহাবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ গোলাম ফারুকসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার একটা চেষ্টা করতে পারি। তবে সবকিছু নির্ভর করবে করোনা পরিস্থিতি কেমন হয়। বিশ্বজুড়ে করোনা প্রকোপ আবার বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের এখানের বিশেষজ্ঞরা বলছেন শীতে আমাদের এখানে করোনা বাড়তে পারে সে কারণে আমাদের ঝুঁকি থাকছে। কিন্তু তারপরও যারা আগামী বছরে এস এস সি বা এইচ এস সি পরীক্ষা দিবেন তাদের কথা মাথায় রেখে খুবই সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যঝুঁকি যেন একেবারেই যেন না থাকে এরকম ব্যবস্থা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে কি করা যায় এরকম একটা চিন্তা ভাবনা আমরা করছি। যদি পরিস্থিতি অনুকূল হয় তাহলে আমরা সে ধরনের সিদ্ধান্তে যাবো।

তিনি আরও বলেন, এবার আমাদের বই তৈরি থাকবে। প্রতিবার আমরা যে আয়োজন করে বই বিতরণ করি সেটা এই পরিস্থিতিতে আমরা এবার করতে পারবো না। তাই আমরা বিকল্প চিন্তা করে কিভাবে প্রতিটি শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দেওয়া যায় সেই বিষয়টি নিয়ে আমরা চিন্তা ভাবনা করবো।ডা. দীপু মনি বলেন, আমরা যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার কথা বলছি সেটা কিন্তু এই শিক্ষাবর্ষের জন্যেই। এবং বিশেষ করে আমাদের মাথায় আছে যে যারা আগামী বছর ২০২১ সালে যারা এইচ এস সি বা এস এস সি পরিক্ষার্থী। এ বছর যাদের এইচ এস সি পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল তারা কিন্তু তাদের সম্পূর্ণ সিলেবাস শেষ করেই পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষা দেওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে তাদের পরীক্ষা বন্ধ হয়েছিলো। তাই তারা তাদের পড়াশুনাটা শেষ করেছিল। কিন্তু আগামী বছর যারা এইচ এস সি বা এস এস সি দিবে তাদের পড়াশুনায় কিছুটা হলেও ব্যাঘাত হয়েছে। এবং তারা ক্লাস করতে পারেনি প্রায় ৮ মাস। সে কারণে তাদের কথা বিবেচনায় নিয়ে নির্ধারিত পরীক্ষার আগে তাদের যদি ভালোভাবে একটু সময় দেওয়া যায় তাহলে তাদের যে নির্ধারিত সিলেবাস সেটা সম্পন্ন করতে পারবে। তবে অন্যদের ব্যাপারেও আমরা চিন্তা করছি। সবকিছু বিবেচনা করেই, স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা মাথায় নিয়েই আমরা একটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অবশ্যই নিবো।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্থ বর্ষের ৫টি পরীক্ষা হয়ে গেছে এবং তাদের আর ৩/৪টি পরীক্ষা বাকি। তাদের কেউ কেউ আমাদের অনুরোধ করছেন যে আমরা অটোপাশ চাই না, আমাদের ৫টি পরীক্ষার ভিত্তিতে আমাদের বাকি ৪টি পরীক্ষার নাম্বার দিয়ে দিন। আমাদের ক্ষেত্রে এইচ এস সি বা এস এস সি তে অপেক্ষা করার আর সুযোগ ছিল না এজন্য তাদের আমরা আগের যে দুটো পাবলিক পরীক্ষা দিয়েছে (এস,এস,সি বা জে,এস,সি) সেগুলোর ভিত্তিতে আমরা মূল্যায়ন করার সিদ্ধান্ত দিয়েছি। কিন্তু যারা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আছেন বা যারা পলিটেকনিক এ আছে তাদের বিষয়টি কিন্তু ভিন্ন। কারণ তারা চূড়ান্ত পরীক্ষা দিয়েই তাদের কর্মজীবনে প্রবেশ করবে। তাই তাদের পরীক্ষা সঠিক ভিত্তিতে না হয়ে মূল্যায়ন হয় তাহলে তাদের চাকরীর ক্ষেত্রে বা কর্মস্থলে সমস্যা হতে পারে। এইচ এস সি পরীক্ষার পরে তারা আরও পড়াশুনা করবে কিন্তু যারা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪র্থ বর্ষে আছে তারা তো এই পরীক্ষা শেষ করেই কর্মজীবনে যাবে তাই এই জায়গায় আসলে পরীক্ষা ছাড়া মূল্যায়ন করা সঠিক হবে না। আমরা তাদের পরীক্ষা আস্তে আস্তে নিয়ে নিতে পারবো সে ব্যাপারে আমরা ভাবছি এবং আলোচনা করছি।

গত ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েক দফা ছুটি বাড়ানোর পর ৩১ অক্টোবর ছুটি শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় ছুটি শেষ হওয়ার আগেই আবারো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটির সময় বাড়লো। এ পরিস্থিতিতে ইতোমধ্যে প্রাথমিকের সমাপনী, জেএসসি, এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষাও।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বিশ্বে করোনা ভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৫৪৬,৮০১
সুস্থ
৪৯৭,৭৯৭
মৃত্যু
৮,৪১৬
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
১১৪,২৯৩,২০৯
সুস্থ
৬৪,৬১৮,১৯৪
মৃত্যু
২,৫৩৬,৭৭৮